|
সুরমা কুশিয়ারা বিধৌত ঐতিহ্যবাহী এই গোলাপগঞ্জ। প্রাকৃতিক কারনে এর নদ-নদী যেমন ভাঙ্গা গড়ার গতিপথ পরিবর্তন করছে, হয়েছে যেমন এর উথান পতন, তেমনি এ জনপদের জনগোষ্ঠীর করতে হয়েছে স্থান পরিবর্তন, বাঁধতে হয়েছে ঘর, স্থান থেকে স্থানান্তওে সংগ্রাম করতে হয়েছে প্রকৃতির সঙ্গে, বিরুদ্ধ পরিবেশের সঙ্গে, গড়তে হয়েছে নিজস্ব ইতিহাস। দেশ ও জাতির কল্যানে যাঁরা কাজ করেন, যাঁরা নিজ স্বার্থ তুচ্ছ মনে করে দেশ ও জাতির স্বার্থকে বড় কওে দেখেন, দেশের কল্যানে জীবন উৎসর্গ করতে পারেন, তারাঁ সাধারনতঃ সমাজের অন্য দশ জন হতে আলাদা। আলাদা তাঁদের ত্যাগ, তাঁদেও জীবন দর্শন। দেশের ঐ সব কৃতী সন্তান, প্রিয়জনেরা কখনো হারায় না। তাদের ত্যাগ, দেশ প্রেম, প্রেরনা হয়ে পথ দেখায় নব প্রজন্মকে। তাদেরকে পাওয়া যায় সমাজসেবা, দেশপ্রেম ও সংগ্রামী মানুষের কাফেলায়। নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব সম্পদ, মানুষের অধিকার, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি সভ্যত্য রক্ষা করতে সেই ব্রিটিশ যুগ থেকে বা তারও আগ থেকে আন্দোলন করতে হয়েছে। পূর্ব পুরুষ থেকে শুরু করে আন্দোলনে আন্দোলনে আমরা বর্তমানে পৌচেছি। চলার বিরাম নেই, সমাজের আরো অগ্রগতি, প্রগতি ও সমৃদ্ধিও জন্য তাঁদের উত্তরসূরী হিসাবে সমাজ প্রগতীর এ আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে। তার আগে জানতে হবে আমাদের পূর্বসূরীদের সংগ্রামী অতিতকে, ইতিহাসকে, আন্দোলন সংগ্রামে পোড় খাওয়া কৃতি পুরুষদের সংগ্রামী জিবনকে।
ন্যায় ও সত্যের পক্ষে স্বাধীনতা ও স্বাধীকার রক্ষার সংগ্রামে গোলাপগঞ্জবাসীর রয়েছে গৌরবোজ্জল ইতিহাস, ঐতিহ্য। মোগল আমল থেকে শুরু করে এ পযন্ত ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, মুসলমানদের স্বতন্ত্র আবাস ভূমির আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, নানকার বিদ্রোহ এবং মুক্তিযুদ্ধ সহ সব ক’টি আন্দোলনে গোলাপগঞ্জবাসী উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
|